এক জোড়া কপত কপতির ভালোবাসার গল্প।
#দুই_কপোত_কপোতির_ভালোবাসা 😍😍😍😍😍😍😍
কত রকমের মানুষ দেখলাম!!
অজান্তে গর্জন দেন সিংহের মত কিন্তু বাস্তবে তাহার সামনে আসলে মনে হয় লেজ ঘুঁটানো বিড়ালের মত।প্রথমে তাঁর ঐ শ্রুতি মধুর বাক্য গুলো শুনতে কষ্টই লাগল,কারন খুব বেদনা ভরা আবেগ মিশানো কষ্টের কাহিনি টা শুনে,,আমিতো তখন খুবই চিন্তিত কিভাবে কি করা যায়,কিভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করা যায়,চিন্তার প্রধান কারন হলো কত রকমের নেকামি ভরা (সত্যি ও হতে পারে)অশ্রুজলে সিক্ত নয়নটা আমাকে তাঁর মায়ার জালে পেলে দিল।আমি তো মনে করলাম সত্যি না সে কিছু একটা করে পেলবে,তার সাথে কন্টাক্ট না হলে!!আমি তো বেশ অস্থির এবং গম্ভীর চিন্তায় পড়ে আছি কিভাবে তাকে তার প্রিয়সীর নিকটা আনতে পারি।অনেক চেষ্টা তকদির করতছি।কিন্তু কাউকে কিছুই বুঝতে দিচ্ছি না,আমি তো কিছুতেই সেই তার হৃদয়ের মন মাঝিকে পাচ্ছি না,সে কি ভেবে পন করে তার দুরাফোন টা বন্ধ করে রেখেছে, কেন রেখেছে সেই মণ মাঝিই ভালো যানে,,তবে খুশির খবর হলো প্রিরসীর মন মাঝিকে কিছু সময়ের জন্য অনলাইনে দেখা গিয়েছিল, আমি তো দারুণ খুশি,এই বুঝি সেই শুভক্ষণ যে প্রিরসীর হৃদয় মাঝিকে তার সাথে আলাপন করে দিব,কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত,তখন মন মাঝিকে আবার হারিয়ে পেললাম,প্রিয়সী তো বেশ খুশি তার মন মাঝি অনেক্ষণ পর তার হৃদয়ে জলা আগুন কে একটু নিবেয়ে দিবে তার সুমধুর সুরেলা শুরে কিছু মধু মাখা বাণী বলে।কিন্তু হল কই।
আমি তো বেশ হতাশ কিভাবে কি করা যায়,আমি তো পড়লাম মহা বিপদে,তবে আমার বিপদটা বেশি সময় থাকল না,কারণ প্রিয়সীর হৃদয়ের হা হাকার মনে হয় তার মন মাঝিকে আর দূরে থাকতে দিল না,,হঠাৎ আমার ফোনে ক্রিং ক্রিং শব্দ আমি আমার দূরাপন যন্ত্রের তাকিয়ে অবাক হয়ে আছি এত সময় ধরে খুজতেছিলাম সে এখন আমার কাছে নিজেই ধরা দিল,কিছু কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে তাকে আমি স্থানান্তর কর তার সেই কাংখিত স্থানে । তবে খুশির বিষয় হলো প্রিয়সী তো তার হৃদয় মন্দিরের মালিকের কথা শুনো তো মান প্রান উজাড় কর,সেই কিছু সময়ের জন্য হারানো মাঝির জন্য বসে আসে।অবশেষে আসলো মাহেন্দ্রক্ষণ, তাদের মধ্যে হলো উজাড় করা ভালোবাসার আলাপন হয়তো।
তবে দুঃখের বিষয় হলো ভুলে গেল মাহেন্দ্রক্ষণে এনে দেওয়া মানুুটাকে,তবে তার কোন দুঃখ নেই, কারণ সে জুড়ে দিয়েছে ভেঙ্গে যাওয়া দুজন কে!!!সংক্ষিপ্ত
#কেউ_খারাপ_কিছু_ভাববেন_জাস্ট_একটু_মজা_করা_
কত রকমের মানুষ দেখলাম!!
অজান্তে গর্জন দেন সিংহের মত কিন্তু বাস্তবে তাহার সামনে আসলে মনে হয় লেজ ঘুঁটানো বিড়ালের মত।প্রথমে তাঁর ঐ শ্রুতি মধুর বাক্য গুলো শুনতে কষ্টই লাগল,কারন খুব বেদনা ভরা আবেগ মিশানো কষ্টের কাহিনি টা শুনে,,আমিতো তখন খুবই চিন্তিত কিভাবে কি করা যায়,কিভাবে তাদের সমস্যার সমাধান করা যায়,চিন্তার প্রধান কারন হলো কত রকমের নেকামি ভরা (সত্যি ও হতে পারে)অশ্রুজলে সিক্ত নয়নটা আমাকে তাঁর মায়ার জালে পেলে দিল।আমি তো মনে করলাম সত্যি না সে কিছু একটা করে পেলবে,তার সাথে কন্টাক্ট না হলে!!আমি তো বেশ অস্থির এবং গম্ভীর চিন্তায় পড়ে আছি কিভাবে তাকে তার প্রিয়সীর নিকটা আনতে পারি।অনেক চেষ্টা তকদির করতছি।কিন্তু কাউকে কিছুই বুঝতে দিচ্ছি না,আমি তো কিছুতেই সেই তার হৃদয়ের মন মাঝিকে পাচ্ছি না,সে কি ভেবে পন করে তার দুরাফোন টা বন্ধ করে রেখেছে, কেন রেখেছে সেই মণ মাঝিই ভালো যানে,,তবে খুশির খবর হলো প্রিরসীর মন মাঝিকে কিছু সময়ের জন্য অনলাইনে দেখা গিয়েছিল, আমি তো দারুণ খুশি,এই বুঝি সেই শুভক্ষণ যে প্রিরসীর হৃদয় মাঝিকে তার সাথে আলাপন করে দিব,কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত,তখন মন মাঝিকে আবার হারিয়ে পেললাম,প্রিয়সী তো বেশ খুশি তার মন মাঝি অনেক্ষণ পর তার হৃদয়ে জলা আগুন কে একটু নিবেয়ে দিবে তার সুমধুর সুরেলা শুরে কিছু মধু মাখা বাণী বলে।কিন্তু হল কই।
আমি তো বেশ হতাশ কিভাবে কি করা যায়,আমি তো পড়লাম মহা বিপদে,তবে আমার বিপদটা বেশি সময় থাকল না,কারণ প্রিয়সীর হৃদয়ের হা হাকার মনে হয় তার মন মাঝিকে আর দূরে থাকতে দিল না,,হঠাৎ আমার ফোনে ক্রিং ক্রিং শব্দ আমি আমার দূরাপন যন্ত্রের তাকিয়ে অবাক হয়ে আছি এত সময় ধরে খুজতেছিলাম সে এখন আমার কাছে নিজেই ধরা দিল,কিছু কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে তাকে আমি স্থানান্তর কর তার সেই কাংখিত স্থানে । তবে খুশির বিষয় হলো প্রিয়সী তো তার হৃদয় মন্দিরের মালিকের কথা শুনো তো মান প্রান উজাড় কর,সেই কিছু সময়ের জন্য হারানো মাঝির জন্য বসে আসে।অবশেষে আসলো মাহেন্দ্রক্ষণ, তাদের মধ্যে হলো উজাড় করা ভালোবাসার আলাপন হয়তো।
তবে দুঃখের বিষয় হলো ভুলে গেল মাহেন্দ্রক্ষণে এনে দেওয়া মানুুটাকে,তবে তার কোন দুঃখ নেই, কারণ সে জুড়ে দিয়েছে ভেঙ্গে যাওয়া দুজন কে!!!সংক্ষিপ্ত
#কেউ_খারাপ_কিছু_ভাববেন_জাস্ট_একটু_মজা_করা_
No comments