Attention

আমাদের এই ওয়েবসাইট এ প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন টিউটোরিয়াল ভিডিও এবং পোস্ট দেওয়া হবে এবং গল্প,উপন্যাস,স্ব্যাস্থ সেব সহ আরো অনেক কিছু পোস্ট করা হয়।পাশে থাকবেন ধন্যবাদ

তাহলে কি চীন আমেরিকার মদ্ধে যুদ্ধ লেগেই গেল।

চীন আমেরিকার মদ্ধে এখন যুদ্ধের উষ্ণ আমেজ রয়েছে,হটাৎ যে কোন সময় লেগে যেতে পারে     



চীনের অর্থনৈতিক উত্থানকে কিছুদিন আগেও কোন উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখা হতো না। 

কেননা চিন একটি অর্থনৈতিক এর বিশাল বাজার,তারা নিজেরাই সব কিছু করতে পারে।


মার্কিন বিশেষজ্ঞরা প্রথম দিকে বলেছেন, “চীন একটি দায়িত্বশীল বৈশ্বিক অংশীদার হয়ে উঠছে।”
কিন্তু বার্তা সংস্থা বিবিসির বিশ্লেষক জোনাথন মার্কাস লিখছেন, চীনকে এখন দেখা হচ্ছে এক হুমকি হিসেবে। অনেকেই ভয় পাচ্ছেন যে চীন আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেভাবে বাড়ছে তাতে শেষ পর্যন্ত একটা যুদ্ধ বেধে যেতে পারে। তা যদি হয়, তাহলে তার প্রতিক্রিয়া হবে বিশ্বব্যাপী।
এ নিয়ে একটি বইও লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গ্রাহাম এ্যালিসন যা এখন নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিকদের অবশ্যপাঠ্য হয়ে উঠেছে। বইটির নাম, ‘ডেস্টিনড ফর ওয়ার: ক্যান আমেরিকা এ্যান্ড চায়না এ্যাভয়েড দ্য থুসিডিডেস ট্র্যাপ?’
বইটিতে গ্রাহাম এ্যালিসন প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক ‘থুসিডিডেসের ফাঁদ’ নামে এক তত্বের অবতারণা করেছেন, যাতে বলা হয়েছে – কিভাবে একটি উদীয়মান শক্তি হুমকি হয়ে ওঠে একটি প্রতিষ্ঠিত শক্তির জন্য।
অধ্যাপক এ্যালিসন বলছেন, বিশ্বের ইতিহাসে এরকম ১৬টি উদাহরণ আছে। তার মধ্যে ১২টিই শেষ পর্যন্ত শেষ হয়েছে যুদ্ধে।
পক এ্যালিসন বলেছেন, ওয়াশিংটন আর বেইজিং এর দ্বন্দ্ব হচ্ছে আজকের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নির্ণায়ক ঘটনা। তবে সবাই এই বিষয়ে একমত নয়।
পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং নৌ-যুদ্ধকৌশল বিশেষজ্ঞ প্রফেসর হু বো বলছেন, চীন মার্কিন দ্বন্দ্বের সাথে থুসিডিডেসের ফাঁদের মিল নেই।
তিনি বলেন, “চীনের উত্থান চোখে পড়ার মতো ঠিকই, কিন্তু এখনো সার্বিকভাবে তাদের শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুলনীয় নয়। আমেরিকার সাথে চীন পাল্লা দিতে পারে শুধু একটি মাত্র জায়গায় – তা হলো পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।
কিন্তু এই প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকাতেও কি চীন-মার্কিন দ্বন্দ্ব হঠাৎ যুদ্ধের রূপ নিতে পারে না?
এ প্রশ্নের জবাবে মার্কিন নৌযুদ্ধ বিশেষজ্ঞ এন্ড্রু এরিকসন বলছেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চীন যে সমরসজ্জা করছে তা ঐতিহাসিক মাপেও বিশাল।
চীন এমন সব বিশাল ও উন্নত প্রযুক্তি সমৃদ্ধ যুদ্ধজাহাজ তৈরি করছে – যা মানের দিক থেকে পশ্চিমা যুদ্ধজাহাজের কাছাকাছি।

বৈশ্বিক অঙ্গনের চীনের অবস্থানকে আরো উচ্চাভিলাষী করে তোলার ক্ষেত্রে বড় ভুমিকার রাখছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
চীন-মার্কিন সম্পর্ক এখন একটা সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। হয় তারা পরস্পরের উদ্বেগ কাটাতে চেষ্টা করবে, নয়তো তাদের দ্বন্দ্ব আরো বাড়বে। তবে যুদ্ধ অবধারিত নয়, বলেন অধ্যাপক এ্যালিসন। তার কথা, তার বইতে তিনি কূটনীতির কথাই বলছেন, নিয়তির কথা নয়
তাছাড়া অনেক বিশ্লেষকের ধারনা ,
চীন_আমেরিকার মধ্যে বানিজ্য যুদ্ধ লেগে যেতে পারে,এবং তা হয়তো পারমাণবিক যুদ্ধেও গড়াতে পারে,
যদি এমন হয় তাহলে বিশ্বের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি হলো এখন চিন_আমেরিকা    
#Create By 24PopuLarnews

No comments

Theme images by RASimon. Powered by Blogger.